আবহাওয়া বিশ্বঘড়ি মুদ্রাবাজার বাংলা দেখা না গেলে                    
শিরোনাম :
সেই ‘হাওয়া ভবন’র মুখপাত্রের অভিযোগ: তারেক রহমান তথ্য সন্ত্রাসের শিকার      ৭ মার্চ কেন জাতীয় দিবস নয় : হাইকোর্ট      টাকার না দিতে পারলে লাশ জিন্মি করতে পারবে না হাসপাতাল ও ক্লিনিক       সৌদি আরবের আগ্রহেই সৌদি-ইসরায়েল গোপন সম্পর্ক : ইসরায়েলি মন্ত্রী       সংবাদ প্রকাশের জন্য টাকা দিচ্ছেন যুবলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম জাহিদ (ভিডিও)      রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনীর নৃশংসতা যুদ্ধাপরাধের শামিল: মার্কিন সিনেটর      কুমিল্লায় নগরীতে যুবককে গলা কেটে হত্যা      
মামলা ভারে জর্জরিত বিএনপি নেতারা: নেতাদের নামে মামলার সেঞ্চুরী-ডাবল সেঞ্চুরী
Published : Wednesday, 12 July, 2017 at 5:35 PM
মামলা ভারে জর্জরিত বিএনপি নেতারা: নেতাদের নামে মামলার সেঞ্চুরী-ডাবল সেঞ্চুরী বিডিহটনিউজ,ঢাকা: সম্প্রতি এক টকশো শেষে ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় ব্যস্ত দুই নেতা। একজন গনসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকি, অন্যজন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। এই সময় সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে বলতে শুনা গেল রাজনীতি আর করব কখন? সাপ্তাহে ৪ দিনই কোর্টের দুয়ারে পড়ে থাকতে হয়। একদিনে একাধিক মামলায়ও হাজিরা দিতে হয়। বিএনপি নেতা আলালের অন্য বিএনপি নেতাদের রয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশী মামলা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আন্দোলন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যন্ত সকলের উপরই রয়েছে পাহাড়সম মামলা। দলটির একটি নিজস্ব জরিপের তথ্য অনুযায়ী আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের আমলে সারা দেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে প্রায় ২৪ হাজার মামলা। আসামির তালিকায় নাম উঠেছে প্রায় সাড়ে চার লাখ নেতাকর্মী ও সমর্থকের। খালেদা জিয়াসহ দুই শতাধিক কেন্দ্রীয় নেতার বিরুদ্ধেই রয়েছে প্রায় ৫ হাজার মামলা। মামলার সেঞ্চুরী-ডাবল সেঞ্চুরী পার করেছেন অন্তত দুই ডজন নেতা। কয়েক ডজন নেতার বিরুদ্ধে এ সংখ্যা পশ্চাশোর্ধ্ব। প্রায় সব মামলাই দায়ের হয়েছে বিস্ফোরক দ্রব্য, সন্ত্রাসবিরোধী, দ্রুত বিচার ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে। 
মামলা দায়েরের সময় যেসব ধারা উল্লেখ করা হয় চার্জশিটের সময় আলাদা আইনে বিভক্ত হয়ে তৈরি হচ্ছে নতুন মামলা। ফলে চার্জশিটের পর বেশির ভাগ নেতার মামলায় পরিণত হচ্ছে দেড়গুণে। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে মামলার ডাবল সেঞ্চুরী পার করেছেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল ও স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু। অন্যদিকে মামলার সেঞ্চুরী পেরিয়েছেন যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম সম্পাদক নবী উল্লাহ নবী ও হাবিবুর রশীদ হাবিব। দলটির নীতিনির্ধারকসহ কেন্দ্রীয় ও মাঝারি সারির নেতাদের সপ্তাহে তিন-চারদিন হাজিরা দিতে হয় আদালতে।  
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান ওয়ান ইলেভেনের জরুরি সরকারের সময়ে ২২ মাস ও আওয়ামী লীগ আমলে ৫ দফায় ১৮ মাস কারাভোগ করেছেন। আওয়ামী লীগ আমলে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত বেশির ভাগ মামলায় আসামির তালিকায় রয়েছে তার নাম। বর্তমানে ২১৭ মামলার আসামি তিনি। দলের যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল একই সঙ্গে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। ঢাকা মহানগর বিএনপির সাবেক এ সদস্য সচিব অতীতে পালন করেছেন স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্বও। বর্তমানে ২১৪ মামলার আসামি সোহেল আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ৩ দফায় কারাভোগ করেছেন ১১ মাস। 
স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু বর্তমানে বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক সম্পাদক। রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ২১০ মামলার আসামি সপু বর্তমান সরকারের আমলে কারাভোগ করেছেন তিন দফায় ৮ মাস। দীর্ঘদিন ধরে যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বপালনকারী সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এখন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব। ওয়ান ইলেভেনের সময় ১৪ মাস কারাভোগ করেছেন। আওয়ামী লীগ আমলেও কারাভোগ করেছেন ৯ দফায় ২ বছর ২ মাস। বর্তমানে ১৩৪ মামলার আসামি আলালের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে ৮৮টি মামলার চার্জশিট হয়েছে, বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে ৬২ মামলা। 
বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের বিরুদ্ধে রয়েছে ১১২টি মামলা। একবার গ্রেপ্তার হয়ে দেড় মাস কারাভোগ করেছেন। বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানীর বিরুদ্ধে রয়েছে প্রায় ১২০ মামলা। ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আজিজুল বারী হেলাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ওয়ান ইলেভেনের সময় ১৪ মাস কারাভোগ করেছেন। অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজধানীর উত্তরা থেকে এমপি পদে নির্বাচনকারী এ নেতার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ আমলে ঢাকা মহানগর উত্তরের বিভিন্ন থানায় দায়ের হয়েছে ১৩৭ মামলা। এসব মামলায় একদফায় চার মাস কারাভোগও করেছেন। ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশীদ হাবিব বর্তমানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক। ঢাকা মহানগর কেন্দ্রিক প্রভাবশালী সাবেক এ ছাত্রনেতা বর্তমানে প্রায় ১২০ মামলার আসামি। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ৪ দফায় কারাভোগ করেছেন ১৪ মাস। ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আরেক যুগ্ম সম্পাদক নবী উল্লাহ নবীর বিরুদ্ধে রয়েছে একশ’র বেশি মামলা।   
সিনিয়র নেতাদের মধ্যে- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানের বিরুদ্ধে বর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় রয়েছে ১৩ মামলা। একবার কারাভোগও করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেছেন শারীরিকভাবে অসুস্থ বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা। আওয়ামী লীগ আমলে একাধিকবার কারাভোগকারী এ নেতার বিরুদ্ধে রয়েছে প্রায় ৫০টি মামলা। ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহানের বিরুদ্ধে ঢাকা এবং নোয়াখালীর বিভিন্ন থানায় রয়েছে ২২টি মামলা। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যানদের মধ্যে সর্বাধিক মামলার আসামী হয়েছেন সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ।
সন্ত্রাস, বিস্ফোরকদ্রব্য, দ্রুতবিচার ও মানহানি আইনে সারা দেশে তার বিরুদ্ধে রয়েছে ৭০টির বেশি মামলা। ২০১৫ সালে গ্রেপ্তার হয়ে তিনি কারাভোগ করেছেন টানা ১০ মাস ১০ দিন। ভাইস চেয়ারম্যান ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রফেসর আবদুল মান্নান বর্তমানে ৩০ মামলার আসামি। মেয়র হিসেবে দেড় বছর দায়িত্ব পালনের পর প্রথমবার বরখাস্ত হন তিনি। এরপর দুই দফায় কারাভোগ করেন ২২ মাস। সর্বশেষ জামিনে মুক্তি ও পদ ফিরিয়ে পেয়ে ১০ কার্যদিবস দায়িত্ব পালনের পর তৃতীয়বারের মতো বরখাস্ত হন ৬ জুলাই। তিন দিন পর ফের মেয়রের চেয়ারে বসেন আদালতের নির্দেশে। 
ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু বর্তমানে কারাবন্দি। রাজধানীসহ নোয়াখালীতে তার বিরুদ্ধে রয়েছে ৬০টির বেশি মামলা। ভাইস চেয়ারম্যান ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু ওয়ান ইলেভেনের সময় বিশেষ ক্ষমতা আইনে কারাভোগ করেছেন সাড়ে ৫ মাস। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় রয়েছে ২২টি মামলা। কারাভোগ করেছেন দুইমাস। দলের আরেক ভাইস চেয়ারম্যান ও ড্যাব মহাসচিব ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনের বিরুদ্ধে রয়েছে প্রায় ৪০টি মামলা। তিনিও কারাভোগ করেছেন কয়েকদফায়। অর্ধশতাধিক মামলা রয়েছে ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর নামে। 
বর্তমানে কারাবন্দি রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নাল আবদিন ফারুক। ওয়ান ইলেভেনের সময় দীর্ঘদিন কারাভোগ করেছেন তিনি। আওয়ামী লীগ আমলে হরতাল কর্মসূচি পালনকালে জাতীয় সংসদের উল্টোদিকে ন্যাম ভবন আঙিনায় পুলিশের নির্যাতনের শিকার হন তিনি। বর্তমানে প্রায় ৭০টি মামলার আসামি ফারুক কারাভোগ করেছেন একাধিকবার। এ ছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টাদের মধ্যে- এম মোরশেদ খান, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, শামসুজ্জামান দুদু, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, শাহজাহান ওমর বীরউত্তম, মিজানুর রহমান মিনু, তৈমুর আলম খন্দকার প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই রয়েছে ১০ থেকে ৩০টি মামলা। 
২০১৬ সালের ১৫ই মে থেকে কারাভোগ করছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব লায়ন আসলাম চৌধুরী। রাষ্ট্রদ্রোহিতা, সন্ত্রাসবিরোধী, দ্রুতবিচারসহ নানা আইনে ঢাকা ও চট্টগ্রামে তার বিরুদ্ধে রয়েছে ৩০টির বেশি মামলা। যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন বর্তমানে ৩৭ মামলার আসামি। বর্তমান সরকারের আমলে তিন দফায় কারাভোগ করেছেন সাড়ে ৪ মাস। আওয়ামী লীগ আমলে তিনি কয়েকদফা কারাভোগ করেছেন। যুগ্ম মহাসচিব হারুনুর রশীদের বিরুদ্ধে রয়েছে ১৬টি মামলা। এছাড়া যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন ও মজিবর রহমান সরোয়ারের বিরুদ্ধেও রয়েছে বেশ কয়েকটি মামলা। বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকদের মধ্যে সর্বাধিক মামলার আসামি হলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। ওয়ান ইলেভেনের সময় দুইবছর কারাভোগ করেছেন তিনি। 
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে ঢাকা ও নাটোরে দায়ের হয়েছে প্রায় ৯০টি মামলা। এসব মামলায় দুই দফায় ২০ মাস কারাভোগ করেছেন তিনি। বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেলের বিরুদ্ধে রয়েছে ৫৫টির বেশি মামলা। ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি এম এ কাইয়ুম দীর্ঘদিন ধরে অবস্থান করছেন মালয়েশিয়ায়। ইতালিয়ান নাগরিক সিজার তাবেল্লা হত্যাকাণ্ডসহ তার বিরুদ্ধে রয়েছে অন্তত ৫০টি মামলা। বিএনপির নারী নেত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মামলার আসামি সাবেক এমপি সৈয়দা আশিফা আশরাফি পাপিয়া। বর্তমানে দলের কোন পর্যায়ে পদ-পদবিতে না থাকা এ নারী নেত্রী ৬৫ মামলার আসামি। বর্তমান সরকারের আমলে কারাভোগ করেছেন ৫ মাস। স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনে সাহসী ভূমিকার কারণে আলোচিত নেত্রী শিরিন সুলতানা। মহিলা দলের সাবেক এ সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় রয়েছে ৪২টি মামলা। 
ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান ২৪ মামলায় দুই দফায় কারাভোগ করেছেন ১২দিন। কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র মনিরুল হক সাক্কু, হবিগঞ্জের পৌর মেয়র জিকে গউছ, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকদের মধ্যে আকন কুদ্দুসুর রহমান, আবদুস সালাম আজাদ, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, নাদিম মোস্তফাসহ অন্তত এক শ’ নেতা ১০-৩০ মামলার আসামি।







রাজনীতি পাতার আরও খবর
আজকের রাশিচক্র
সম্পাদক : ইয়াসিন আহমেদ রিপন

ঝর্ণা মঞ্জিল, মাষ্টার পাড়া, মাইজদী, নোয়াখালী। ঢাকা: ৭৯/বি, এভিনিউ-১, ব্লক-বি, মিরপুর-১২, ঢাকা-১২২৬, বাংলাদেশ।
ফোন : +৮৮-০২-৯০১৫৫৬৬, মোবাইল : ০১৯১৫-৭৮৪২৬৪, ই-মেইল : info@bdhotnews.com