আবহাওয়া বিশ্বঘড়ি মুদ্রাবাজার বাংলা দেখা না গেলে                    
শিরোনাম :
শৈলকুপায় টাকা নিয়ে ৫ জুয়াড়িকে ছেড়ে দিলেন ওসি: জুয়াড়িদের হাতে কৃষক লাঞ্ছিত      নূর হোসেন বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার পর যা বলেছিল (ভিডিও)      নূর হোসেন, তারেক সাঈদ, আরিফ হোসেন ও রানাসহ ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টেও বহাল      রমজানের ঈদে মহাসড়ক সংস্কার কোরবানি ঈদ না আসতেই বেহাল      আওয়ামী লীগ বিচার বিভাগকেও ছাড় দিচ্ছে না: মির্জা ফকরুল      ঝিনাইদহে কালো তালিকাভুক্ত ৪২৮ চালকল: বোরো চাল সংগ্রহ অভিযান ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কা      টার্গেট জননেত্রী শেখ হাসিনা      
“মামা শশুর বাড়ির এলাকায় পোষ্টিং নিয়েই বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন থানার ওই বড়কর্তা”
এমপি'র আর্শীবাদ থাকায় দুর্নীতির ববপুত্র ওসি নন্দনের লাগাম টেনে ধরতে পারছেন না দায়িত্বশীলরা
হাবিব সারোয়ার আজাদ
Published : Friday, 17 February, 2017 at 3:55 PM, Update: 17.02.2017 4:11:17 PM, Count : 3574
এমপি'র আর্শীবাদ থাকায় দুর্নীতির ববপুত্র ওসি নন্দনের লাগাম টেনে ধরতে পারছেন না দায়িত্বশীলরাসুনামগঞ্জ:  ঘুষ বাণিজ্যি’র বরপুত্র ওসি শ্রী নন্দন কান্তি ধর থানার বিভিন্ন মাদক, জুয়া, যাত্রপালা, কয়লা- চুনাপাথর, গরু চোরাচালান অবৈধ নৌকা, ট্রলার ও সীমান্তনদী জাদুকাঁটা মাহারামের বালি পাথর লুটের চাঁদাআদায়ের ভাগ ভাটোয়রা  ও মামলা মোকদ্দমা হেরফের করে প্রতিমাসে সীমান্তবর্তী ও জলমহালের রাজধানী খ্যাত সুনামগঞ্জের তাহিরপুর থানার বিভিন্ন স্পট থেকে প্রতিমাসে অর্ধকোটি হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এতসব অপকর্মের পরও সর্বমহলে একটাই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এমপির আর্শীবাদ থাকায় ঘুষ দুর্নীতির ববপুত্র ওসি নন্দনের লাগাম টেনে ধরতে পারছেনা বলে পুলিশের দায়িত্বীলরা ।   
 এদিকে তাহিরপুরের নানা শ্রেণী পেশার লোকজনের অভিযোগ, হত্যা মামলার আসামী, দাগী অপরাধী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও বালি পাথর , চোরাই কয়লার ব্যবসায় ফুলে ফেপে উঠা বিতর্কিত সন্ত্রাসীদের সাথে বারতি আয়ের আশায়  ওসি নন্দন প্রকাশ্যে চলাফেরা  করে সাধারন জনমনে গোটা পুলিশ বিভাগের ভাবমুর্তি ক্ষুণ্য করেছেন।  এখন জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে ওসির অপকর্মমের শেল্টার দাতা কে বা কারা?
সরেজমিন স্থানীয় এলাকাবাসীর সাথে আলাপকালে ও নানা অনুসন্ধানে জানা গেছে,  উপরী আয়ের ভাল থানা খ্যাত তাহিরপুর থানায়  ওসি নন্দন যোগদান করার পর থেকেই ঘুষ বাণিজ্যের জন্য দিবারাত্রী বেপরোয়া হয়ে উঠেন। আর এ ধরণের বেপরোয়া আচরণ ও অবাধ ঘুষ বাণিজ্যের পেছনে পর্দার আড়ালে থেকে ওসি নন্দনের পেছনে মদদ ও শেল্টার জুগাচ্ছেন আলোচিত হাওরাঞ্চলের মুকুটহীন সম্রাট সুনামগঞ্জ-১ আসনের আওয়ামীলীগ সরকারের দলীয় সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এমটি ও তার অনুগত  লোকজন।  এমপির তার মদদে আর্শীবাদপুষ্ট হয়ে  ঘুষখোঁর , চাঁদাবাজ ওসি তালকে তিল করে প্রতিমাসে বিভিন্ন স্পট থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন প্রায় অর্ধকোটি টাকা । এ থেকে এর একটা অংশ চলে যায় শাসক দলীয় ওই এমপির লোকজনের পকেটে বিনিময়ে এমপির ইশারায় তার অনুগত লোকজনকে বে আইন শেল্টার ও তার অপকের্মেও বিরোধীকারীদের ব্যাপারে মামলা –হামলা করিয়ে হয়রানী করা। যে কারনে দিনেরপর দিন ওসি নন্দনের দাপুট আর পোষাকী  ক্ষমতার অপ ব্যবহার বেড়েই চলেছে । অভিযোগ রয়েছে এমপির বিরুদ্ধে জামালগঞ্জে মান্নানঘাট বাজারে সরকারী কাবিখা'র টাকায় গড়ে তুলেছেন সরকারদলীয় অফিস কার্য্যালয় ও বিগত জেলা পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি লংগনের। এছাড়াও  পাশ্ববর্তী তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট বাজারের মানিক হত্যাকান্ডের তদবিরকারকের মূল নাটের গুরুই হচ্ছেন এই সেই শাসকদলীয় এমপি রতন। পাশাপাশি সীমান্তনদী জাদুকাটা নদীতে অবৈধভাবে সেইভ ড্রেজার, বোমা মেশিন বসিয়ে নদীর চর ও তীর কেটে একাধিক ষ্ট থেকে বালু-পাথর উত্তোলন হচ্ছে  সে অপকর্মেও ও রাষ্ট্রীয় সম্পতি লুপাটের পেছনে তার আন্ডারগ্রাউন্ডে থেকে মদদ দিচ্ছেন ঐ এমপি ও তার অনুগতরা । এসবের অপকর্মেও সাথে ছায়ার মত সঙ্গী হয়ে আছেন কিংবা সাথে তাল মিলিয়ে একযোগে কাজ করছেন তাহিরপুর থানার ওসি নন্দন । 
আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যাওয়া ওসি কৌশলে এমপিকে হাত করে হাতিয়ে নিচ্ছেন মাসোহারা অর্ধকোটি টাকা চাঁদা । কারন ওসি বিপাকে না পরার জন্য তিনি তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চাঁপে ও বশে  রাখার জন্য আলাপ করিয়ে থাকেন ওই শাসকদলীয় এমপিকে দিয়ে । এটা চাঁদাবাজ ওসি’র নিত্যদিনের কার্য্যকলাপ হয়ে দাড়িয়েছে।’
এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে , তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর জমিদারবাড়ি এলাকায় ওসি’র মামা শ্বশুড়ের বাড়ি হওয়াতে আরো বেশি তিনি তৎপর হয়েছেন ঘুষ আদায়ে। নিজেরমতো করে থানা এলাকায় দাপুটের সহীত চালিয়ে যাচ্ছেন ক্ষমতার প্রভাব আর আইনি মারপ্যাচে হয়রানী করছে নিরীহ লোকজন সহ সাংবাদিক এমনকি কলেজ শিক্ষার্থীদের।  তাহিরপুরের স্থানীয় এলাকায় বড় বড় রাঘব বোয়ালদের সাথেও গড়ে তোলেছেন ওসি  গভীর সখ্যতা । এর মধ্যে অন্যতম একজন হলেন, আব্দুল কুদ্দুছ মিয়া ওরফে বেল কুদ্দুছ । বাদাঘাট বাজারে মক্কা টাওয়ার নামক একটি মার্কেট রয়েছে । ওই মার্কেটে ওসি প্রতিসপ্তাহে গিয়ে ৩-৪দিন গিয়ে অলিখিত ভাবে অফিস করেন বলেও স্থানীয়রা নিশ্চিত করেছেন। প্রায়ই বেল কুদুচ্ছের বাসায় নানা পদেও আইটেম দিয়ে ভোজন বিলাসও করেন ওই ওসি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাক্তি জানান , সেখানে বসে ওসি তার মামা শশুরদের দেবোত্তর ষ্টেইটের নৌকাঘাট, নৌ -পথ, বালি পাথর মহালের একাধিক ঘাট ও হাটবাজার ইজারাদারের নিকট থেকে নিয়ে আসেন মোটা অংকের বখারা ও বাদাঘাট বাজারের অন্যান্য স্পটের টাকাকড়ি । বেশিরভাগ সময় তিনি ওই মার্কেটে বসে সময় অতিবাহিত করেন  এবং আব্দুল কুদ্দুছ মিয়াকে ওসি মামা বলেও ডাকেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে। ওই বেল কুদ্দুছ মানিক হত্যা মামলা অন্যতম আসামী পেলনপুর গ্রামের একিনুরের ও আপন ভায়রা ভাই ও হত্যা মামলার অপর প্রধান আসামী মাসুকের  তালাই ও বটে। এছাড়াও ওসি ও আরেক মামলা রয়েছে  বাদাঘাট বাজারের দেবোত্তর ষ্টেইটের কথিত ইজারাদার নব্য ধনী তোতাঁ মিয়া। একইভাবে সীমান্তনদী জাদুকাটার পাথর খেকোঁ রহিম উদ্দিনকে দাদা বলে সম্বোদন করেন তিনি । এভাবে অবৈধ ব্যাবসায়ী ও ধনাট্য'র স্বার্থ রক্ষার আড়ালে পুলিশ বিভাগকে জনমনে প্রশ্নবিদ্ধের মুখে ফেলে দিয়ে ওসি তার নিত্যদিনের ঘুষ-বাণিজ্য হাতিয়ে নিতে সিদ্ধহস্ত হয়ে উঠেছেন।
উল্ল্যেখ্য যে, এরপূর্বেও এসব অবৈধ ব্যাবসায়ী ও শাসকদলের এমপি রতনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সামাজিক ও যোগাযোগ মাধ্যমে ও পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলেও ধামাচাপা দিতে দৌড়ঝাঁপ দেন চাঁদাবাজ ওসি নিজেই । মানিক হত্যা মামলা আসামী নিরাপদে বাড়িতে থেকেই বাণিজ্যিক কেন্দ্র বাদাঘাট সহ আশে পাশের এলাকাগুলোতে ফের ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করলেও তারা আইনের হাত থেকে রক্ষা পেয়ে যাচ্ছে ওসির বদৌলতে। অপরদিকে এসব বিষয়য়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে উল্টো সংবাদকর্মীকে বে-কায়দায় ফেলতে ও তাদের অনৈতীক কার্য্যকলাপ আড়াল করতে এমপির নির্দেশে ও হত্যা মামলার আসামীদের সাথে যোগসাজসে জনসম্মূখে আদালত ও থানা পাড়ায় ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা বানোয়াট উদ্দেশ্য প্রণোদিত মামলা মোকাদ্দমা দাখিল করিয়ে নিচ্ছেন ওসি  নিজেই। ভদ্রবেশী , মূখোশধারি থানার এই বড়কর্তা ধনজনে বলীয়ান হওয়ায় কোনকিছুকে তোয়াক্কা করতে নারাজ । বাদ বালাইর বিচার না করে হেয় প্রতিপন্ন করছেন বস্তুনিষ্ট সংবাদকর্মীদেও উপর মিথ্যা অভিযোগ ও মামলা খড়গ নামিয়ে দিয়ে ওসি থাকেন দর্শকের ভুমিকায় এর দায় অন্যেও গাড়ে চাপিয়ে দিয়ে এলাকায় দাঙ্গা- হাঙ্গামা ও হত্যার মত ঘটনা ঘটিয়ে ওসি দু’হাতে লুটেপুটে খাচ্ছেন ।  এসব নানা প্রশ্নই এখন সচেতন মহলে ঘুরপাক খাচ্ছে। তাহিরপুর থানার ওসি নন্দন,এমপি রতন,ব্যাবসায়ী তোতাঁ মিয়া,আব্দুর রহিম ,হত্যামামলার আসামী মাসুক,উস্কানীদাতা ঝুমুর তালুকদার,হলূদ সংবাদকর্মী জাহাঙ্গির আলম ভূইয়া, এসিড মামলার (ওয়ারেন্টভূক্ত)আসামী মোজাম্মেল আলম ভূইয়া,আব্দুছ সহীদ কয়লা ব্যাবসায়ী,গরু বাজারের টোল আদায়কারী তাহের মিয়া,ছাড়াগাও চোরাচালানি ব্যাবসায়ী আইনূল মিয়া, মন্নাফ সর্দার, বড়ছড়া আক্কল আলী, লাউড়েরগড়ের অব: সেনা সদস্য জাদুকাটা নদীর বালি পাথর লুটেরাদের গড় ফাদার উসমান ও এমপি রতনের ঘনিষ্টজন ভাই খ্যাত থানার বড় দালাল, চোরাই কয়লা থেকে চাঁদা উত্তোলন কারী বাবুল, নৌ পথের চাঁদাবাজ চক্রের সদস্য শ্রীপুরের মতিউর, সুলেমানপুরে একাধিক চক্র, সীমান্তের গরু মাদক চোরাকারবারী ও জুয়ারীদের  ব্যাক্তিগত  মোবাইলের কললিষ্ট সংগ্রহ করা হলেই  অতি সহজেই এই সিন্ডিকেট চক্রের সকল আলামত ও অপকর্ম বের হয়ে আসবে বলৈ সুশীল সমাজ ধারণা পোষন করেছেন।ওসি তাদেরকে শেল্টার দেয়ায় তারা স্থানীয় এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে বলেও স্থানীয়ভাবে অভিযোগ ওঠেছে। আলেচিত মানিক হত্যাকান্ডের আসামী মাসুক, একিনুর, কুদ্দুছ, আজাহারুল ্ইসলাম সোহাগ, আবুল মনসুর , জহিরুল সহ ৮ জনকে অব্যাহতি দানের আবেদন করেছেন বেল কুদুচ্ছ  ও তোতা মিয়া এবং তাদের আরেক ভাই ও ভাগ্না সম্পর্কের থানার বড় দালালের রফাদায় মাধ্যমে।
এবিষয়ে জানতে উপজেলার বাদাঘাট বাজারের দেবোত্তর ষ্টেইটের ইজারাদার তোতাঁ মিয়ার সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, একটা থানার ওসি তাহিরপুর আসলে আমাদের সাথে না মিলেমিশে থাকতে পারবে না । কারন আমরা ইজারাদার । অপরএক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ও আমারে মামা ডাকে আপনি ঠিক শুনেছেন কারন নন্দনের মামা শ্বশুড়ের বাড়ি ঐ এলাকায় তাই ডাকতেই পারে । তোতা মিয়া বাদাঘাট পুলিশ ফাড়িতে বসে গর্ব করে বলে থাকেন, তাহিরপুর থানায় পুলিশের যত বড় অফিসারই আসুক প্রশাসনের অন্য কেউ উনাদের  খাবার -দাবার ও আপ্যায়নের জন্য আমি বড় অংকের টাকা দিয়ে থাকি। প্রশাসনের কাকে না চিনে? 
এ ব্যাপারে পাথর ব্যাবসায়ী আব্দুর রহিমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,নন্দনের সাথে আমার কোন সর্ম্পক নেই বা তাকে আমি চিনিনা। 
ওসির অপকর্মের আরেক সহযোগী সংবাদকর্মী নামধারী জাহাঙ্গীর আলম ভূইয়ার সাথে  যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,অন্য কোন সংবাদকর্মীর সাথে আমার কোন প্রতিহিংসা নেই বা কোন সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে আমি কোন সংবাদ পাঠাইনি । আমি চেষ্টা করি ওসি সহ সকলের সাথে মিলেমিশে থাকার জন্য ।
এদিকে তাহিরপুর থানার ওসি  শ্রী নন্দন কান্তি ধরের সরকারি মোবাইল ফোনে শুক্রবার বক্তব্য জানতে কল করা হলেও এমআই সাব মুহিত মিয়া রিসিভ করে বলেন,স্যার বাথরুমে পরে কথা বলেন। এরপর দু’ঘন্টা পর দ্বিতীয় দফায় ওই মোবাইল ফোনে কল করা হলে ওসি নন্দন কান্তি ধর কলটি রিসিভ করে বলেন, ব্যস্ত আছি এসব বিষয়ে পরে কথা বলব।’ 
সুনামগঞ্জ- ১ আসনের আওয়ামীলীগের দলীয় সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এমপির বক্তব্য জানতে  শুক্রবার যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মানিক হত্যাকান্ডের আসামী মাসুক মিয়াকে যদিও আমি চিনি তবে তার হত্যা মামলায় আমি কোন সহযোগীতা করিনি । অপরএক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোন সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে ওসি নন্দনকে মামলা নেওয়ারও কোন তদবির করিনি বলেই মোবাইলের সংযোগটি কেঁটে দেন।







অপরাধ পাতার আরও খবর
আজকের রাশিচক্র
সম্পাদক : ইয়াসিন আহমেদ রিপন

ঝর্ণা মঞ্জিল, মাষ্টার পাড়া, মাইজদী, নোয়াখালী। ঢাকা: ৭৯/বি, এভিনিউ-১, ব্লক-বি, মিরপুর-১২, ঢাকা-১২২৬, বাংলাদেশ।
ফোন : +৮৮-০২-৯০১৫৫৬৬, মোবাইল : ০১৯১৫-৭৮৪২৬৪, ই-মেইল : info@bdhotnews.com